বর্তমানে

বেশ কয়েকজন এই প্রশ্নটা করেছেন পেনসিল নিয়ে, তাই ভাবলাম আলাদা আলাদা করে না লিখে পেনসিলে উত্তর দেওয়াটাই সবচাইতে ভাল হবে।

পেনসিল একটা ব্লগ আর ব্লগ মানেই ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা। কিন্তু সেই স্বাধীনতার সম্পূর্ণ অপব্যবহার করে কেন পেনসিল সমকালীন পরিস্থিতি নিয়ে একটি বাক্যও কখনো উচ্চারণ করে না?

এর একটা খুব সহজ কারণ পেনসিলের জন্মদাত্রীর জ্ঞানগম্যি এবং ধৈর্য দুটোরই এত অভাব যে ব্যাপারটা সম্ভবপরই নয়।

কিন্তু সহজ কারণ ঠিক ততটা সহজ আর কবে হয়েছে?

সত্যিটা হচ্ছে আমি মানুষটা বিশেষ সুবিধের না হওয়ায় আমার যুক্তিগুলোও বিচ্ছিরি প্যাঁচালো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই। বাবা বলতেন, অবশ্যই দীর্ঘশ্বাস সহকারে, “এ মেয়ে অতিরিক্ত প্রকৃতির কুতার্কিক”।

তার ওপরে এক টাকিলাতে হয় না। সঙ্গের নুন-লেবুর ঝাঁঝালো স্বাদটার মতো কোনও কিছুতে হেরে যেতে আমার ভীষণ খারাপ লাগে।

এই ত্র্যহস্পর্শে পেনসিল তেতো হয়ে যাক সেটা একেবারেই চাই না।

তাই রাজনীতি এবং ধর্ম সংক্রান্ত যে কোনও আলোচনা দেশের দশের মঙ্গলকামনায় শোবার ঘরে রেখে দেওয়াটাই সমীচীন মনে করি।

হাজার হাজার মাইল দূর  থেকে চেঁচিয়ে ধরাধাম মাত করে ফেলা কি না ফেলার ওপর যে  কানহাইয়া কুমারের জীবনের গতিপ্রকৃতি নির্ভর করবে না এটুকু কান্ডজ্ঞান এতদিনে না জন্মানোটাই বিচিত্র।

আর মিথ্যে টিথ্যেও সেরকম কনভিন্সিংলি বলতে পারি না।

“সত্যজিৎ রায় ধরণী” ব্যাপারটা আমার দুধর্ষ থ্রিলিং লেগেছে সেটা কি হবে লুকিয়ে আপনাদের থেকে?

প্রথম শুনে গায়ে কাঁটা দিচ্ছিল প্রায়।

আরেকটা কথা।

এমনিতে বায়নাক্কা  নেই খুব একটা।  টাকাপয়সা অল্পস্বল্প হলেও চলে যায়।  কিন্তু আমার মায়ের মেয়ে ব্যক্তিস্বাধীনতায় আরেকটু কম বিশ্বাস করলেই হয়তো ভালো হতো।

কিন্তু মজ্জাগত কোনও কিছু কি বদলানো যায়?  আর জোর করে বদলানোর চেষ্টা করাটাও প্রবল চাপের।

তোমার জীবন তোমার। আমার জীবন আমার।

ভালবাসা মানে পাশে থাকা। কিনে নেওয়া নয়।

কাল থেকে অন্তত তিনজন আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন “ ময়ূখ সিরিয়াসলি ক্রিকেট অপছন্দ করে? কেন? মানে কেন”?

হ্যাঁ ময়ূখ ফুটবলটা এখনো খুব একটা খারাপ খেলে না ( স্কুলটীমে নিয়মিত খেলবার ছোঁয়াটা ঝলক দেয় থেকে থেকেই)। সেটিই ওর প্রথম প্রেম এসব ইনফরমেশন দিতে আমার কোনই আপত্তি নেই। কিন্তু কেন হাতিবাগানে গলি ক্রিকেট খেলে বড় হওয়া ছেলে হঠাৎ খেলাটাকেই যেনতেনপ্রকারেণ এড়িয়ে চলতে শুরু করলো সে নিয়ে কথা বলবার আমি কে?

যতো মত ততো ঘোঁট।

আর একথা অনস্বীকার্য আমি এমনই তুলতুলে স্বভাবের এক নারী যিনি শয়নমন্দিরের ন্যায় বিপদসঙ্কুল স্থানেও শান্তির মহিমা অক্ষুণ্ণ রাখতে সদা সচেষ্ট।(প্রাণের মায়া নেই? আজকালকার দিনে একটা ঠিকঠাক রুমমেট যোগাড় করা কি চাট্টিখানি কথা? )

পেনসিল তাই শুধু নিজের কথাই বলবে।

নিজের মতো করে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Advertisements

One Comment

Add yours →

  1. tui parish o likte.ha ha ha.tor nijor somondha jaja motamot likachish i appreciate r ei bhabei nijer motamot prokash korte pichosh na.r dhormo nia ja bolli ami akdom akmot.khub sundor laglo lekhata.besh akta courageous ladyr moto.after all namitar maya to.

    Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: